Blogger Widgets

Featured Posts

<-! Slide #1 Starts-->
আমার বডি পিক দিলাম। চলবে কীনা জানিও।
আমিও জামাই (Husband) বদল করবো। মাঝে মাঝে রুচি বদল করতে আমার ভীষণ ইচ্ছে করে। তবে Husband বদল করবো মাত্র ৬ মাসের জন্য। যারা আগ্রহী তারা কমেন্টে জানাও। আমার বডি পিক দিলাম। চলবে কীনা জানিও। আমি কিন্তু অনেক সেক্সী। আমার হাসব্যান্ড আমাকে টানা ২ ঘন্টা চুদেও আমার ভোদার শখ মেটাতে পারেনা মাঝে মাঝে.
<-! Slide #2 Starts-->
চুদাচুদির আসন
গত ১ বছর ধরে দু বন্ধু দুজনের বউ বিয়ে করে সুখে শান্তিতে সংসার করে এলেও ঠিক ১ বছরের মাথায় এসে আবারও বউ বদল করে এলাকায় সাড়া জাগিয়েছে। এ বদলের ফলে তারা তাদের বিয়ের বউকে আবার কাছে ফিরে পেলো। আলোচিত এ ঘটনাটি ঘটেছে জীবননগর উপজেলার বাঁকা গ্রামে রোববার রাতে।
<-! Slide #3 Starts-->
Earn Money Online By AdFocus
The AdFoc.us referral program is a great way of making extra money from simply referring other users to join their service. Referring new users to AdFoc.us will give you 20% of the referred user's earnings for life.
Prev 1 2 3 Next

দ্বৈতযোগ

আমার বয়স ২৪। কাজ করি একটি স্বনামখ্যাত মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীতে এক্সিকিউটিভ হিসেবে। এটা খুব আরামদায়ক একটা চাকুরি এবং আমি আমার কাজকে খুব এনজয় করি।
কাজে জয়েন করার কয়েকমাস পরে আমি একজন নতুন সেক্রেটারী পাই। মেয়েটি খুবই সুন্দরী। তার মূখাবয়ব মসৃণ, সুঢৌল এবং আকর্ষণীয়। তার পাতলা শরীর, চিকন কোমর, লম্বা মসৃণ চিকন পা’জোড়া আমাকে ভীষণ আকর্ষণ করতে লাগলো। সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করতো তার সুন্দর ভারী পাছা এবং উন্নত স্তনজোড়া। এ যেনো সত্যিকারের ভেনাস।
সে আমার কাছে থাকলে নিজেকে আমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারতাম না। অচিরেই আমি অফিসের নিয়মণীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তাকে flirt করতে শুরু করে দিলাম। এতে ফল হলো। কয়েকদিনের মধ্যে আমি তার ফ্লাটে নৈশভোজের নিমন্ত্রণ পেলাম।

অফিসের পর তাকে সঙ্গে নিয়ে আমি আমার বাসায় এলাম এবং তার কাছ থেকে ভদ্রতাবশতঃ কয়েকমিনিট সময় চেয়ে নিয়ে আমি শাওয়ার নিলাম। এরপর তাকে সামান্য সফট ড্রিংস দিয়ে আপ্যায়িত করে তার সাথেই রওনা দিলাম তার ফ্লাটের দিকে। ফ্লাটে পৌঁছানোর পর সে তার মায়ের সাথে আমার আলাপ করিয়ে দিলো। আমি প্রথমে ভেবেছিলাম, এ হয়তো তার বড়বোন-টোন হবে। প্রায় একই রকম চেহারা দু’জনের।
ফ্লাটে অন্য আর কেউ ছিলোনা। আলাপে জানলাম, আমার সেক্রেটারীর বাবা চাকুরী করেন দূরের শহরে। মাস ছয়েক হলো তিনি বদলি হয়ে সেখানে গেছেন। রাতের খাবার খেলাম আমরা তিনজনে। আমি সে এবং তার মা। তার মা নিজে খাওয়ার বদলে আমাদের প্লেটে খাবার তুলে দিতেই বেশি ব্যস্ত ছিলেন। খেতে খেতে হালকা কথা হচ্ছিলো আমাদের। সে যেমন হাসিখুশি প্রাণবন্ত ধরনের মেয়ে, তার মাও তেমনি। সহজেই তার মায়ের সাথে সহজ হয়ে গেলাম।
খাবার সারবার পর টিভি দেখতে দেখতে কফি হলো। তারপর তার মা তাদের পারিবারিক এ্যলবাম এনে দিলেন। সেটা হাতে নিয়ে দেখতে লাগলাম। এ্যলবামের শেষদিকে দেখলাম, আর মায়ের কয়েকটা ছবি, যেগুলোতে তিনি খুবই হালকা আর সামান্য পোষাকে সজ্জিতা। ছবিগুলো সমুদ্রতীরের। ছবিগুলো দেখছিলাম আর তার মায়ের দিকে তাকাচ্ছিলাম। আমার তাকানোর জবাবে তার মা শুধু হাসছিলেন।
এর কিছুক্ষণ পর সে আমাকে তার বেডরুমে নিয়ে গেলো। আমি কোনোরকম ভূমিকা ছাড়াই মূহুর্তেই তাকে জড়িয়ে ধরলাম। এবং তার নরম ঠোঁটজোড়া মুখে পুরে চুষতে লাগলাম। নিজের বক্ষকে সে উন্মূক্ত করে দিলো। এবং আমার মুখটাকে টেনে নিয়ে সে তার স্তনের বোঁটায় চেপে ধরলো। আমি তার স্তনকে চুষতে লাগলাম এবং কামড়াতে লাগলাম, যতক্ষন পর্যন্ত না সে উত্তেজিত হয়। এইভাবে অনেকক্ষণ তার স্তনকে চুষতে লাগলাম। স্তনের বোঁটা চাটতে লাগলাম। এবং বোঁটার চারপাশে কামড়াতে লাগলাম। এভাবে দীর্ঘসময় ধরে চোষণ লেহনের পর সে ছটফট করতে লাগলো। সে জোরে জোরে গরম আর ভারী নিঃশ্বাস ফেলতে লাগলো। সে পাগল হয়ে উঠলো। দ্রুত হাতে আমার শার্ট প্যান্ট জুতা খুললো। আমি তাকে আমার গ্যাঞ্জি ও আন্ডারওয়্যার খুলতে সাহায্য করলাম। এরপর আমাকে ঠেলে বিছানায় ফেলে সে আমার উপর চড়ে বসলো। তার ভেজা নরম ভোদার ভেতর আমার শক্ত হয়ে উঠা মোটা বাড়াটাকে ঢুকিয়ে নিলো। আমার উপর বসে সে নিজেই প্রথমে ধীরে ধীরে উঠ-বস করতে লাগলো। এরপর জোরে জোরে তার চিকন কোমর দোলাতে দোলাতে নিজের ভোদার ভেতর আমার শক্ত বাড়ার গুঁতো খেতে লাগলো। আমি তখন তার স্তনজোড়াকে দলাপিষা করতে লগলাম। এভাবে চললো কিছুক্ষণ। এরপর সে নিজেকে শান্ত করে আমাকেও তৃপ্ত করলো।
এর কিছুক্ষণ পর সে বাথরুমে ঢুকলো শাওয়ার নিতে। আমি তার বিছানায় আরাম করে শুয়ে একটা সিগারেট ধরালাম। সহসা বাতি চলে গেলো। কয়েক সেকেন্ড পর আমি আমার শরীরে একটা গরম শরীরের স্পর্শ পেলাম। আমি লাইটার জ্বালালাম এবং আবিষ্কার করলাম, আমার সেক্রেটারীর মা বিছানায় আমার পাশে। যুবতী আর সুন্দরী মায়ের পরনে শুধু ব্রা আর প্যান্টি। তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরলেন, আমার বুকের সাথে তার নরম বুককে চেপে ধরলেন এবং বললেন- “আমাকে ভালোবাসো, যেমন করে শায়লাকে বেসেছো”। আমার কানে তার কথাগুলো বাজতে লাগলো: “আমাকে করো, যেমন করে শায়লাকে করেছো।”... “আমাকে চুদো যেমন করে শায়লাকে চুদেছো।”
আমি একটু কেঁপে উঠলাম। একটু আগে এই মা আমাকে তার সন্তানের মতো, তার মেয়ের পাশে বসিয়ে আদর করে খাবার খাইয়েছেন এবং ‘বাবা’ বলে সম্বোদন করেছেন। আমি তার চোখের দিকে তাকালাম এবং তার বাহুবন্ধন থেকে নিজেকে মুক্ত করতে চাইলাম। কিন্তু তিনি আরো জোরে আমাকে তার শরীরের সাথে চেপে ধরলেন এবং বললেন: “প্লিজ আমাকে নিরাশ করোনা..”
শায়লার মা-ও শায়লার মতো সুন্দরী। তার রূপ-সৌন্দর্য আর কাকুতিভরা দৃষ্টি আমাকে দূর্বল করে দিলো। সূতরাং আমি তাকে ফেরাতে পারলাম না। আমিও তাকে জড়িয়ে ধরলাম।
তার নরোম ঠোঁটদু’টোকে তুলে নিলাম আমার ঠোঁটের মাঝে। তারপর অনেকক্ষণ ধরে চুমু খেলাম। তিনি গরম নিঃশ্বাস ছাড়তে লাগলেন। এবার আমি তার ব্রা খুললাম। বেড়িয়ে এলো শায়লার স্তনের চেয়েও বড় একজোড়া সুন্দর সেপের তুলতুলে নরোম স্তন। আমি মুঠো করে ধরলাম স্তন দু’টোকে। তিনি তার জিহবা দিয়ে আমার সমস্ত শরীরে লেহন করতে লাগলেন। আমার কপাল গলা গাল বুক পেট লেহন করতে করতে তিনি আমার বাড়ার মুন্ডুটাকে মুখে নিলেন। শায়লা আমার লিঙ্গ চুষেনি। তার মা এটা চুষতে লাগলেন। আমি আরামে উহ আহ করতে লাগলাম। এবং আমি আমার নিজের শরীরটাকে ঘুরিয়ে নিয়ে তার প্যান্টির উপর দিয়ে ঈষৎ ভিজে যাওয়া ভোদার উপর মুখ রাখলাম। এবং প্যান্টির উপর দিয়েই আমি তার ভোদার মাংসে কামরাতে লাগলাম। শায়লার মা পা দু’টো ভাঁজ করে একহাতে তার প্যান্টি খুললেন এবং আমার মুখের সামনে তার পা দু’টোকে মেলে ধরলেন। আমার লোভী মুখের সামনে তখন তার ফাঁক হয়ে থাকা সোনাটা। সেটা দেখতে খুবই সুন্দর। সোনার খয়েরী ঠোঁটদুটো খুলে আছে আমার জিহ্বার সামনে। আমি মূহুর্তেই তার ভেজাভেজা সোনার ফাটলে জিহ্বা ঢুকালাম। ক্লিটোরিসটাকে দুই ঠোঁট দিয়ে চেপে ধরলাম এবং জোরে জোরে চুষতে লাগলাম। শায়লার মা ছটফট করতে লাগলেন।
হঠাৎ বাথরূমের দরোজা খোলার শব্দ হলো। আমি সেদিকে তাকালাম। দেখলাম লম্বা টাওয়েল জড়ানো শায়লা সামনে দাঁড়িয়ে আছে। তার শরীরের উপরের অংশে এখনও স্নানের বিন্দু বিন্দু পানি লেগে রয়েছে। আমি একটু বিব্রত হলাম। মেয়েকে উপভোগ করার পর এখন মাকে উপভোগ করছি আর মেয়ে সেই দৃশ্য দেখে ফেলছে, এটা কোন্ মেয়ে সহজভাবে নেবে? এতোক্ষণ আমার ভেতরে সে ভাবনাটা ছিলোনা। কিন্তু হঠাৎ শায়লাকে দেখে এ ভাবনাটা আমাকে বিব্রত করলো। আমি শায়লার কাছ থেকে কিছু বাজে কথা শুনার এবং আরো বিব্রতকর অবস্থায় পড়ার জন্য মূহুর্তেই প্রস্তুত হলাম।
কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে শায়লা আমার দিকে তাকিয়ে একটু হাসলো এবং সহসা তার টাওয়েল খুলে একহাতে দূরে ছুঁড়ে ফেলে খাটের উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো। আর মূহুর্তেই আমার বিব্রত ভাবটা কেটে গেলো।
এরপর শায়লা আর তার মা আমার শরীরে দু’দিক দিয়ে চাটতে লাগলো। শায়লা আমার মুখের দিকে আর তার মা আমার বাড়ার দিকে। এরপর শায়লার মা আমার মুখের দিকে আর শায়লা আমার বাড়ার দিকে চাটলো। অনেকক্ষণ ধরে শায়লা আর মা আমার বাড়াটাকে চেটে চুষে শক্ত লৌহদন্ডের মতো বানিয়ে ফেললো। আমার খাড়া হওয়া উত্তেজিত লিঙ্গটার মাথায় একটা চুমু খেয়ে শায়লা বললো: “তখন তো এটা এততো বড়ো ছিলোনা! এবার অনেক বড়ো হয়েছে” । আমি তার দিকে তাকিয়ে হাসলাম। শায়লা আবার বললো: “আমার মা’র সোনা অনেক গভীর আর এখনও যেকোনো যুবতীর চেয়ে বেশি টাইট।”
আমি বললাম: “তুমি কি করে জানলে মা’র সোনা এতো টাইট?”
শায়লা হাসতে হাসতে বললো: “সেটা জানি।”
আমি আবদারের সুরে বললাম: “তবুও বলোনা শুনি”
শায়লা বললো: “বদলি হওয়ার পর বাবা মাত্র দু’বার এসেছেন। তাও প্রথম মাসে।”
আমি বললাম: “তাতে কী হলো?”
শায়লা জবাব দিলো: “বাবা যখন তিনমাস ধরে আসেন না, তখন একরাতে মা খুব কাতর হয়ে পড়েছিলো।”
“তুমি জানলে কি করে?”
“মা কাতরস্বরে গোঙ্গানির মতো শব্দ করছিলো। আমি মা’র এই কাতরানির শব্দ শুনে তার ঘরে গেলাম এবং গিয়ে দেখলাম, মা সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে বিছানায় শুয়ে ছটফট করছে। আর দুইহাতে তার সোনার জায়গাটা শক্ত করে ধরে আছে। আমি বললাম- মা এমন করছো কেনো? মা বললো- যন্ত্রনায়, খুব জ্বালা করছে। আমি বললাম- ব্যথার কোনো ট্যাবলেট দেবো? মা বললো- ট্যাবলেটে এটা যাবেনা। আমি জানতে চাইলাম- তাহলে কী করলে যাবে? মা বললো- কাছে আয়। আমি মা’র কাছে গেলাম। মা তার সোনাটা দেখিয়ে বললো- এখানে একটু চেটে দে। তাহলে কমবে। আমি মা’র যন্ত্রণার ব্যপারটা তখনই বুঝে গেলাম। সুতরাং আমি মা’র আদেশ পালন করতে লেগে গেলাম।”
“কী করলে?”
“আমি মা’র সোনা চাটতে লাগলাম। কিছুক্ষণ চাটার পর মা বললো- আয়, তোকেও একটু চেটে দেই। জামা খুল।”
“তারপর?”
“তারপর আর কী! আমরা মা আর মেয়ে মিলে এনজয় করেছি”
“কীভাবে?”
“আমরা 69 আসনে মিলিত হয়েছি। মা আমার সোনা চেটেছেন আর আমি মা’র সোনা চেটে দিয়েছি।”
“চেটেছো শুধু? আর কিছু করোনি?”
“চেটেছি। কামড় দিয়েছি। তারপর সোনার ভেতর আঙ্গুল দিয়ে জোরে জোরে খোঁচা দিয়েছি।”
“তাতে তৃপ্তি পেয়েছো?”
এতোক্ষণ শায়লার মা আমাদের কথোপকথন শুনছিলেন আর মিটিমিটি হাসছিলেন। এবার তিনি বললেন: “দুধের স্বাদ কি আর ঘোলে মেটে? সেজন্যই তো শায়লাকে বলেছি তোমাকে নেমন্তন্ন করতে।”
শায়লা বললো: “তুমি আমাকে চুদে আরাম দিয়েছো। এবার মাকে চুদে তাকে সুখ দাও।”
“হুঁ, এবার মা মেয়েকে একসাথে চুদবো।”
“আগে তোমার এই মোটা আর লম্বা অস্ত্রটা মা’র সোনার ভেতরে ঢুকাও। দেখবে তোমার খুব মজা হবে।”
বলে শায়লা তার মায়ের দুই পা দু’হাতে ধরলো এবং দু’দিকে ঠেলে ফাঁক করলো। আর বললো: “দেখেছো, মায়ের সোনা কীরকম সুন্দর!”

আমি বললাম, “হ্যাঁ, দারুণ সুন্দর”। আমি মার সোনার ফাটায় একটা আঙ্গুল ঢুকিয়ে বললাম: “আর সোনাটা খুব নরম। আচ্ছা, মা’কেই আগে চুদবো” বলে আমি শায়লার কথামতো তার মায়ের দু’পায়ের মাঝখানে গেলাম এবং হাঁটু গেঁড়ে বসে আমার শক্ত লেওড়াটাকে তার ভেজা সোনার ভেতরে ঢুকালাম। হ্যাঁ, সত্যিই মা’র সোনা বেশ টাইট। এই টাইট আর গভীর সোনার ভেতর আমার বাড়াটাকে ঢুকিয়ে আমি খুব মজা পেলাম। এবার আস্তে আস্তে ঠাপ মারতে লাগলাম। তার মা সোনা ফাঁক করে চিৎ হয়ে শুয়েছিলেন। ঠাপ মারতে মারতে আমার মজা আরো বাড়তে লাগলো। শায়লা তার মায়ের শরীরের দু’পাশে দু’পা রেখে আমার মুখের সামনে দাঁড়ালো এবং তার সোনা ফাঁক করে আমার মুখের সামনে ধরলো। আমি তার সোনা চাটতে লাগলাম আর তার মায়ের সোনার ভেতরে আমার শক্ত লৌহদন্ডটা দিয়ে পেটাতে লাগলাম। আর মা আমার শাবলের মতো শক্ত বাড়ার গুঁতো খেতে খেতে কোঁতকোঁত করতে লাগলেন এবং শোয়া থেকে মাথা তুলে শায়লার কোমর জড়িয়ে ধরলেন।
শায়লা বললো: “এবার আমার ভোদার ভেতরে ঢুকাও।”
আমি বললাম: “তোমাকে ডগি চুদবো”।
“সেটা আবার কীরকম?”
“তুমি কুকুরের মতো হাঁটু আর কনুই এর উপর ভর দিয়ে শোও। আমি তোমার পেছন দিয়ে তোমার ভোদার ভেতর ঢুকাবো”
“এতে তো তোমার এটা পুরোটা ঢুকবে না”
“যেটুকু ঢুকবে সেটুকু চলবে না তোমার? আমার এটা সাড়ে নয়”
“আমাকে সবটা ঢুকাও”
শায়লার মা আমাদের কথা শুনছিলেন চুপচাপ। তিনি এবার বললেন- “আমাকে দেখাও আমি করি। যা মোটা আর শক্ত তোমার দন্ড! আমার পুরোটা লাগবেনা।”
শায়লা বললো- “মা আমি আগে একটু খেয়ে নেই।”
বলে শায়লা হাঁটু গেঁড়ে দু’কনুই বিছানায় রেখে হাতের উপর ভর দিয়ে আসন নিলো। আমি তার পেছন দিকে গিয়ে আমার লম্বা লিংগটাকে আস্তে আস্তে তার ভোদার ভেতর ঢুকালাম। এবং আরামে চুদতে লাগলাম। শায়লা বললো: “আরো ঢুকাও।” আমি আমার পুরো নয় ইঞ্চি তার ভেতরে ঠেলে দিলাম। আর আস্তে বের করে জোরে ঠেলা দিয়ে পুরোটা ঢুকালাম। এভাবে চুদতে লাগলাম। শায়লার মা আমার পেছনে এসে আমার পাছায় তার সোনা লেপ্টে আমাকে ধরলো এবং আমার ঝাপের তালে তালে কোমর সামনে পিছনে করতে লাগলো। আমার দুইদিকে দুই নারী, মা ও মেয়ে আমাকে সুখ দিতে লাগলো। অনেকক্ষণ ধরে শায়লাকে চুদে থামলাম আমি। শায়লার মা বললেন- “এবার আমি করবো। তুমি শুয়ে পড়ো”।
“আপনি করবেন?”
“হ্যাঁ। তুমি তো এতোক্ষণ চুদেছো। খুব মজা পেয়েছি। এবার আমি নিজে নিজের সোনার ভেতরে তোমার দন্ডের গুঁতা খাবো”
“সেটা কি বেশি মজার হবে?”
“তোমার চেয়ে আমার মজা বেশি হবে”
“আচ্ছা, করেন তাহলে।”
আমি মা’র কথামতো চিৎ হয়ে শুয়ে পড়লাম। শায়লার মা আমার শরীরের দু’পাশে পা রেখে আমার খাড়া হয়ে থাকা বাড়ার উপর তার সোনার ফাটাকে সেট করে বসে পড়লো। আমার লম্বা মোটা লিংগের পুরোটা ফসফস করে তার ভোদার ভেতর ঢুকে পড়লো। তিনি উহ উহ করতে বললেন: “আহ্ এবার সবটা ঢুকেছে। তোমার পুরো সাড়ে নয় ইঞ্চি মোটা আর শক্ত দন্ডটা আমার ভেতরে। আহ কি মজা”। তিনি আমার লোহদন্ডটাকে তার সোনার ভেতরে রেখে ধীরতালে উঠবস করতে লাগলেন। আর কোঁকাতে লাগলেন। শায়লা এসে আমার গলার দু’পাশে দু’পা রেখে হাঁটু ভাঁজ করে বসলো তার মায়ের মুখোমুখি। ফলে, তার সোনা আমার মুখের কাছে চলে এলো, এবং সোনাটা ফাঁক হয়ে রসে চপচপ করতে লাগলো। আমি চাটতে লাগলাম। আর দেখলাম, শায়লার মা মেয়ের ডান দিকের স্তন বাম হাতে শক্ত করে ধরে উঠ-বস করছে, আর শায়লা তার মায়ের বাম স্তন ডান হাতে দলা পাকাচ্ছে।
এ এক অভূতপূর্ব সুন্দর দৃশ্য। এবং এ এক ভীষণ মজার আর আনন্দের অভিজ্ঞতা। শায়লার মা আমার লম্বা আর শক্ত বাড়ার গুঁতো খেতে খেতে এলিয়ে পড়লেন। তার সোনার ভেতর থেকে গরম রস আমার বাড়া বেয়ে গড়িয়ে পড়তে লাগলো। তাকে ঠেলে সরিয়ে আমি শায়লার পিঠে ধাক্কা দিলাম। আর বললাম- “মা’র মতো তুমিও নিজে খাও। এবার তোমার ভেতরে পুরো সাড়ে নয় ঢুকবে”। শায়লা তার মায়ের জায়গা দখল করলো। এবং মা’র মতো আমার বাড়ার উপর নাচতে লাগলো। নাচতে নাচতে আমার বাড়ার শক্ত গুঁতো খেতে লাগলো। গুঁতো খেতে খেতে সে সমানে অদ্ভূত সব শব্দ করতে লাগলো। একটু পর সেও তার গরম রসে আমাকে ভিজিয়ে দিলো। কিন্তু আমার তখনও দেরী। আমি শায়লাকে সরিয়ে শোয়া থেকে উঠলাম এবং ঠেলে তাকে ডগ আসনে সেট করলাম। তারপর তার সোনার ফাটা থেকে একটু রস নিয়ে তার পায়ুপথে আংগুল ঠেলে নরম করলাম। শায়লা আমার অভিলাষ বুঝতে পেরে বললো- “কী করছো! ওখানে কখনও ঢুকাইনি। ব্যথা লাগবে না?” আমি তার কথায় কান না দিয়ে আঙ্গুল ঘসে জায়গাটা পিচ্ছিল করতে লাগলাম। শায়লা আবার বললো: “তারচেয়ে আমার মুখে ঢুকাও। শুনেছি মুখচুদা নাকি দারুণ মজা!”
কিন্তু শায়লার মা আমাকে টেনে নিজেই ডগ স্টাইলে আসন নিলেন এবং বললেন- “আমাকে ঢুকাও। তোমার খালু কখনো এখানে ঢুকায়নি। দেখি কেমন মজা। নাও ঢুকাও।”
আমি শায়লাকে ছেড়ে দিয়ে তার মায়ের পাছার কাছে গেলাম। মা’র সোনার ফাটা থেকে রস নিয়ে পাছার ছিদ্র পিচ্ছিল করলাম। আমার বাড়া তখন দুই দুইটি টাইট সোনার মধু খেয়ে ইয়া মোটা আর ঢাউস হয়ে আছে। সেই ঢাউস সাইজ দন্ডটাকে আস্তে আস্তে শায়লার মায়ের পেছনের ছিদ্রে ঢুকালাম আর ধীরে ধীরে ঠাপ মারতে লাগলাম। মা’র ছিদ্রটা ভীষণ টাইট। ফলে আমার চুদে দারুন সুখ হচ্ছিলো। আমি আরো কিছুক্ষণ চুদলাম। এরপর আমারও যখন হয়ে আসার পালা তখন আমার লিঙ্গটা শায়লার মা’র পাছা থেকে টেনে বের করলাম। তারপর তাড়াতাড়ি মোটা লিঙ্গটা শায়লার মুখে ঠেলে দিলাম আর তার মুখটাকে আমার বাড়ার সাথে চেপে ধরলাম। বললাম: “তোমার মুখে আরেকদিন চুদবো। এখন আমার বাড়ার মধু খাও।” আমার বাড়ার ঘন বীর্যে শায়লার মুখ ভরে গেলো। আমি তার মুখ থেকে বাড়া বের করলাম। শায়লা বীর্যগুলো মুখে নিয়েই বললো- “কী করবো?
“খাও। মজা না?”
“নোনতা।”
“কীসের মতো?”
“মা’র সোনার রসের মতো।”
“মা’র সোনার রস তো খুব মজা। তাহলে খাও”
তারপর শায়লার মায়ের দিকে তাকিয়ে বললাম- “আপনি খাবেন?”
শায়লার মা সুখের হাসি হাসলো। আর আমার পায়ের কাছে এসে আমার বাড়াকে মুখে নিয়ে চুষতে লাগলো। বাড়ার ভেতর থেকে আরো কিছু গরম শরবত শায়লার মায়ের মুখে ঢেলে দিলাম। শায়লার মা সেগুলো মুখে নিয়ে যেনো স্যূপ খাচ্ছেন, সেরকম করে খেতে লাগলেন। শায়লা তার মুখের সব রস গিলতে না পেরে, উঠে তার মায়ের গলার উপর ফেললো। এরপর মা ও মেয়ে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে আমার বাড়ার গরম রস নিয়ে মাখামাখি করতে লাগলো। আর হাসাহাসিতে মেতে উঠলো। আমিও ভীষণ তৃপ্তিতে মা মেয়ে দু’জনকে দু’হাতে জড়িয়ে ধরে বিছানা নিলাম।
“তোমার চুদা খেতে দারুণ সুখ” বললেন শায়লার মা।
আমি জবাব দিলাম: “এতো সুখ আর তৃপ্তি আমিও জীবনে কখনো পাইনি”
“তোমার অস্ত্রটা আমার ভীষণ ভীষণ পছন্দ হয়েছে” মা বললেন।
“আমারও” মায়ের কথার সাথে যোগ করলো শায়লা।
শায়লার মা আমার ঠোঁটে চুমু খেয়ে বললেন: “তোমার এই অস্ত্র আর এমন চুদা যেকোনো মেয়ের সারাজীবনের পরম কাঙ্খিত।”
“ইস, আরো আগে যদি তোমার এমন চুদা খেতে পারতাম, তাইনা মা?”
“তুই তো এতোদিন ওর কথা আমাকে বলিসনি।”
“ভয়ে বলিনি। তুমি কি না কি মনে করো, আমাকে না আবার বকো, তাই”
“এই ভয়টুকু না পেয়ে যদি বলতি, তবে এতোদিন আমাদের এমন মজার আর সুখের তৃপ্তি থেকে বঞ্চিত হতে হতোনা।”
“এখন তো তুমি খুশি, তাইনা মা?”
“হ্যাঁ, দারুণ খুশি আর দারুণ সুখী। আরো খুশি হবো যদি এমন চুদা থেকে আর বঞ্চিত হতে না হয়”
“ও আমাদের কেনো বঞ্চিত করবে? সেও তো খুব মজা আর সুখ পেয়েছে। তোমার মতো এমন টাইট আর গভীর সোনা পেলে কে তৃপ্ত না হয়ে পারে। তাইনা বস?”
বুঝলাম শায়লা বস বলে মৃদু ঠাট্টা করছে। বললাম: “মা আর মেয়েকে একসাথে চুদতে পারবো এ আমি জন্মেও কখনো ভাবিনি। আর চুদে এমন তৃপ্তি আর সুখ আমি জীবনেও পাইনি”
শায়লা বললো: “তুমি কি এই জীবনে বহুজনকে চুদেছো?”
“না তা নয়। সামান্য কয়েকবার চুদেছি। তবে এখন বুঝতে পারছি, যে সুখ আর তৃপ্তি এইমাত্র আমি পেয়েছি তার তুলনায় সেগুলো কিছুই নয় ” জবাব দিলাম আমি।
শায়লার মা বললেন: “তোমার কাছে একটা দাবী আছে। বলো, রাখবে?”
“আমার সাধ্যে থাকলে নিশ্চয়ই রাখবো। বলুন, কী?”
“তুমি আগে পরে যাকেই চুদেছো, আর চুদবে না। এখন থেকে আমাদেরকেই চুদবে।”
আমি তো একবাক্যেই রাজী। তবুও মা’র একথা শুনার পর আমি শায়লার দিকে তাকালাম। শায়লা বললো: “অবশ্যই রাখবে। তোমার মতো এমন সুন্দর সোনা ও কোথায় পাবে বলোতো মা!”
আমি বললাম: “তোমাদের দুজনের সোনা-ই খুব সুন্দর, টাইট আর দারুণ মজাদার”
মা বললেন: “তাহলে বলো যখন তোমার চুদার ইচ্ছে হবে চলে আসবে।”
আমি জবাব দিলাম: “অবশ্যই আসবো। যখন চুদার ইচ্ছে হবে তখনই চুদতে চলে আসবো”
শায়লা বললো: “তোমার চুদার ইচ্ছে হলে তুমি চলে আসবে। আর আমাদের যখন ইচ্ছে হবে তখন?”
“তখন তুই ওকে ধরে নিয়ে আসবি!”
“কি বস, আসবে তো? ধরে আনলে রাগ করবেনা তো আবার?”
আমি হাসতে হাসতে জবাব দিলাম: “ধরে আনতে হবেনা। আনার পর, যখন চুদবো তখন শক্ত করে ধরে রাখলেই হবে”
“জ্বি বস। চুদার সময় খুব শক্ত করে ধরে রাখবো” শায়লা বললো হাসতে হাসতে।
মা মৃদু হেসে বললেন: “ও আগে শুধু তোর বস ছিলো। এখন আমারও বস”
“হ্যাঁ মা, তোমাকে যে চুদাটা চুদলো, বস তো বটেই”
“তোকেও কি কম চুদা চুদেছে!”
“এজন্যই তো সে তোমারও বস”
আমি বললাম: “তাহলে তোমার বাবা?”
“বাবা তো হেড অফিসের ম্যানেজার। আর শুধু মা’র বস। আর তুমি আমার এবং মায়ের, আমাদের দুজনের বস, তাইনা মা?”
মা বললেন: “ঠিক তাই”।
তখন থেকে আমার চুদার লোভ হলেই আমি শায়লার ফ্লাটে যাই এবং মা ও মেয়েকে উপভোগ করি। সপ্তাহে অন্ততঃ দুইদিন আমি মা আর মেয়েকে পালাক্রমে চুদি। বেশির ভাগ সময়ে একসাথে চুদি দু’জনকে। কখনো কখনো আলাদা আলাদাভাবে। কখনো কখনো এমন হয় যে, অফিস চলাকালীন সময়ে মা আমাকে ফোনকলে যেতে বলেন। আমি যাই। গিয়ে শায়লার মাকে চুদি। মাকে চুদার পর কিংবা কখনো কখনো চুদার মাঝখানে শায়লা এসে হাজির হয়। আর মূহুর্তে জিন্স-টি-শার্ট খুলে ছুঁড়ে ফেলে সোনা ফাঁক করে চুদা খেতে লেগে যায়। মাকে আবদারী সুরে বলে: “মা, তুমি একা একা চুদা খাচ্ছো। আমাকে কল করোনি কেনো?” মা হয়তো জবাব দেন হাসতে হাসতে: “ও যখন আমাকে চুদে তখন আমার সোনা জোরে জোরে ফসফস শব্দ করে। আমি জানি, তুই আমার সোনার শব্দ পেয়েই চলে আসবি, তাই বলিনি”। শায়লা বলে: “এখন তুমি আর খাবেনা। এখন শুধু আমি খাবো। এখন আমার সোনাও চুদা খেতে খেতে ভোসভোস শব্দ করবে। আর তুমি সেটা শুনবে চুপচাপ শুয়ে শুয়ে”।
“আচ্ছা শুনবো”
“আমাকে ডাকোনি বলে এটা তোমার শাস্তি”
“আচ্ছা, ঠিক আছে”
“এটা টিক আছে। কিন্তু তুমি যে আমাকে ডাকোনি, এটা ঠিক নেই”
মা হাসতে হাসতে বলেন: “আমরা দু’জন একসাথে এক দন্ডের গুঁতো খাই, সেটাই কতো মজার আর তৃপ্তির। আমি ভাবলাম, দেখিতো একদিন একা একা পুরো সময় ধরে গুঁতো খেলে কেমন লাগে! তাই তোকে ডাকিনি”
“তাহলে আমিও একা একা ওর পুরো সময়ের দীর্ঘ চুদা খাবো”
“না মামনি, সেটা করতে যেওনা। লক্ষ্মী মা আমার, তাহলে তোর কচি সোনাটা ছেঁড়াফাঁড়া হয়ে যাবে। দেখিসনি ওর এক একটা কোপে কি ভয়ংকর ধার আর কি শক্তি!”
“তাহলে তুমি যে একা একা সেই ভয়ংকর ধারালো কোপ খেয়েছো এতোক্ষন? তোমার সোনা কি ছেঁড়াফাঁড়া হয়ে গেছে?”
“ছেঁড়াফাঁড়া না হলেও ফানাফানা হয়ে গেছে”
“আমিও আমার সোনাটাকে ছানাছানা করে নিই। সোনাটা যা কিরকির করছে মাগো”
“আচ্ছা, করো। ও ঠিক তোমার সোনার কিরকিরানি বন্ধ করে দেবে”। আমার দিকে তাকিয়ে এরপর মা বলেন: “দাও তো বস, ওর সোনার কিরকিরানি থামিয়ে ওর সোনাটাকে ছানাছানা করে দাও”
আমি তখনি শায়লাকে চুদতে লেগে যাই। একটা আসনে কিছুক্ষণ চুদে আসন বদল করি। কিছুক্ষণ পর আবার অন্য আসনে যাই। এরপর অন্য আসনে ম’কে চুদি। এভাবে বিভিন্ন আসনে আমরা উপভোগ করি।
ইতোমধ্যে শায়লার মা ভারতীয় রতিশাস্ত্রের একটা বই জোগাড় করেছেন। ভারতীয় রতিশাস্ত্রের সে বইয়ে চুদার যতো আসন বর্ণনা করা আছে, ইতোমধ্যে আমরা সব আসনে উপভোগ করেছি। চুদার পর সবচেয়ে মজার হয় আমাদের আড্ডা-আলাপ। কোনটায় কীরকম মজা তা নিয়ে আমি আর মা-মেয়ে সরস কথায় আমাদের লাভক্ষতি খুঁজে বের করি। এখন আমাদের আলাপে কোনো লাগাম থাকেনা। আমরা যা ইচ্ছে তা বলাবলি করি। আর তিনজনে মিলে আমাদের যা ইচ্ছে হয় করে যাচ্ছি। আর সবচেয়ে মজার ব্যপার হলো, যখন আমি সেই ফ্লাটে থাকি, তখন কারো শরীরে কোনো কাপড় থাকেনা। আমি, শায়লা আর মা, আমরা সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে থাকি ফ্লাটে। উলঙ্গ থেকেই আমরা আলাপে মাতি, হাসাহাসি মাতামাতি করি, এ ওর শরীরে ঢলে পড়ি, খামচাখামচি কামড়াকামড়ি করি, একে অপরের শরীর চাটি, চুদাচুদি করি, আমরা তিনজনে একসাথে গোসল করি, ঝাপটাঝাপটি করি, লুটোপুটি করি, একে অন্যের শরীরে সাবান ঘষে দিই, এ ওর শরীরে ক্রিম মাখিয়ে দিই, একসাথে খাবার খাই। এ এক আশ্চর্য উপভোগ আমাদের। এ এক অন্যরকম ভালোবাসাময় জীবন আমাদের।
আমার এই জীবন, এই উপভোগ নিয়ে আমার কোনো অনুতাপ নেই। এবং শায়লা ও শায়লার মা কারু মুখে কখনো কোনো লজ্জা কিংবা অনুশোচনার ছায়াও এখনো পর্যন্ত দেখিনি। এভাবেই চলছে। আমরা দারুণ দারুণ সুখী। আমরা খুব তৃপ্ত। ভীষণ পরিতৃপ্ত আমাদের ত্রিভুজ প্রেমের জীবন।
দিনের পর দিন আমার এবং শায়লা ও তার মা’র, ত্রিভুজ প্রেম আর বহুভুজ কামে মত্ত আমাদের ক্ষুধা যেনো বেড়েই চলেছে। আর এভাবেই আমি কিংবা আমরা আমাদের ক্ষুধা চরিতার্থ করে চলেছি। এভাবে কতোদিন চলবে জানিনা...

আরো পড়তে পারো:

♥ ওরে নেংটো শালি! আমাকে চুদতে দে ♥ 

মহিলাদের সুস্থ জীবন দেয় সহবাস

আমরা দুজনে নুনু নুনু খেলি

No comments:

Post a Comment